বর্তমান জীবনে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কম শারীরিক পরিশ্রম ও মানসিক চাপের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে।
ফ্যাটি লিভার
লিভার শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কোনো কারণে এতে ফ্যাট জমলে এই সমস্যাকে ফ্যাটি লিভার বলে। এটি ধরা পড়লে অবশ্যই সাবধান হতে হবে। নাহলে লিভারের বেহাল দশা হতে বেশি সময় লাগে না। এমনকি হতে পারে লিভার সিরোসিসের মতো সমস্যা।
বর্তমান খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের কারণে প্রচুর মানুষের ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ধরা পড়ছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, খাবার নির্বাচনে সামান্য সচেতনতা লিভারের ফ্যাট কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে — বিশেষ করে প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত তেল।
বর্তমানে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা। খাদ্যাভ্যাসে বদল না আনলে এই সমস্যা থেকে নিস্তারের উপায় নেই। বিশেষ করে ফাস্টফুড খাওয়া বন্ধ করলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।
বর্তমানে মানুষের জীবনযাপনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। ফলে বেড়েছে অনেক স্বাস্থ্য জটিলতাও। অনেক মানুষ এখন আক্রান্ত হচ্ছে ফ্যাটি লিভারের মতো রোগে।
জীবনযাপনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগের হার। বর্তমানে যে রোগগুলো সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ফ্যাটি লিভার। অনেকে এই সমস্যা সামলাতে খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করেন।
অস্বাস্থ্যকর এবং বিশৃঙ্ক্ষল জীবনযাপনের কারণে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা বেশিরভাগই খাবারের কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা রুটিন মেনে চলি না, শরীরচর্চার প্রসঙ্গ এলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাই। ফলস্বরূপ লিভারে চর্বি জমতে থাকে।
সাতাশ বছর বয়সী ওয়াহিদা জামান অন্য একটি অসুখের জন্য নিয়মিত পরীক্ষা করাতে গিয়ে জানতে পেরেছেন তার ফ্যাটি লিভার ডিজিজ রয়েছে।
দুর্বল জীবনযাত্রার কারণে লিভারের রোগ এখন একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’ এর কারণে বহু মানুষের মধ্যে এই লিভারের সমস্যা দেখা যেত।